
ফরিদপুরে শ্রমিকদের বোডিংয়ের আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নারী-পুরুষসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের নিকট থেকে বিভিন্ন অবৈধ ঔষধসহ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে শহরের গোয়ালচামটস্থ কৃষাণহাট এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী ও দেব কুমার পালের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন কক্ষে অভিযান চালিয়ে ৭জন নারী ও ১২ জন পুরুষকে আটক করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শহরের গোয়ালচামটস্থ ওজোপাডিকো কার্যালয়ের বিপরীত পাশে প্রায় তিন বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। যেটি কৃষাণহাটা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে এবং প্রতিদিন অন্ততপক্ষে এক হাজার শ্রমিক অবস্থান করেন।
শ্রমিকদের থাকার জন্য সেখানে প্রায় অর্ধকিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি আবাসিক বোডিং গড়ে তোলা হয়েছে। এই বোডিংয়ের নামে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের এনে দীর্ঘদিন যাবৎ অসামাজিক কর্মকান্ড ও মাদক ব্যবসা চলে আসছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী জানান, কৃষাণহাটায় গড়ে উঠা সকল আবাসিক হোটেলে অভিযানকালে অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত অবস্থায় অনেককে পাওয়া যায় এবং মাদক ব্যবসারও প্রমাণ পাওয়ায় আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এছাড়া এখানে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ ঔষধ বিক্রির অভিযোগেও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে আমরা বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছি। এই অনৈতিক কর্মকান্ডের যে বা যারাই জড়িত থাকুক প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।





