ফরিদপুরে ১৩ বছর বয়সী এক মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে নুরুদ্দিন মোল্যা নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ সময় ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেয়া হয়। আসামির জমিজমা বিক্রি করে ওই কিশোরীর পরিবারকে দেয়ার জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন আদালত।
সোমবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি জেলা সদরের ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে ওই কিশোরীকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে ওই ব্যক্তি। তিনি ওই প্রতিবন্ধী কিশোরীর সম্পর্কে চাচা। ওই সময়ে স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে এবং কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেন। পরদিন কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন কিশোরীর বাবা।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া রতন বলেন, এধরনের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তিই আমরা কামনা করেছিলাম। এ রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
একজন কিশোরী বা তরুণী তার পরিবার বা প্রতিবেশীর কাছে নিরাপদে থাকুক, সমাজে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে এমনটাই প্রত্যাশা সুধিসমহলের।





